০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে তাঁর নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর একই কক্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে অবস্থিত সমাজকল্যাণ বিভাগে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। ঘটনার আকস্মিকতায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুইজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। তাঁদের প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গুরুতর আহত কর্মচারী ফজলুর রহমান বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড এবং আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট টাইম : ০১:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে তাঁর নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর একই কক্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে অবস্থিত সমাজকল্যাণ বিভাগে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। ঘটনার আকস্মিকতায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুইজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। তাঁদের প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গুরুতর আহত কর্মচারী ফজলুর রহমান বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড এবং আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।