০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎স্লাব কেলেঙ্কারি ফাঁসের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ; 

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ১১৬ বার

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ

‎‎সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে চাপে পড়ে চাঁদাবাজির গল্প; প্রমাণে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন সাংবাদিক, তদন্তে প্রশাসন। ‎‎যশোরের অভয়নগরে সরকারি স্লাব আত্মসাতের অভিযোগ প্রকাশের পর ঘটনাপ্রবাহ নতুন মোড় নিয়েছে। সাংবাদিক কামাল হোসেন’র প্রতিবেদনে বিষয়টি সামনে আসার পর অভিযুক্ত বিএনপি নেতা পিয়ার আলী শেখ উল্টো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললেও সেটির যথোপযুক্ত প্রমান দেননি,  এদিকে সেটিকে ভিত্তিহীন, সাজানো এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন।
‎‎লিখিত অভিযোগ, স্থানীয়দের বক্তব্য এবং ঘটনাস্থলের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাংবাদিক কামাল হোসেন অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করতে পিয়ার আলীর বাড়ির সামনে যান এবং গেটের ভিতর তার ছেলেকে দেখে সে ভিতরে প্রবেশ করে এবং স্বল্প সময় অবস্থান করে সেখান থেকে বের হয়ে যান সর্বোচ্চ (২ মিনিট)। তিনি কোনো ঘরে প্রবেশ, তল্লাশি, গালিগালাজ বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত উপস্থাপন করা হয়নি। বরং তিনি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন, গেটের সিসিটিভি ফুটেজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করা হোক, তাহলেই প্রকৃত সত্য স্পষ্ট হয়ে যাবে। ‎অন্যদিকে, পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ আরও গুরুতর। স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, রাস্তা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত সরকারি ৩৯ পিস প্যালা সাইডিং কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই সরিয়ে নিজের বাড়িতে নেওয়া হয় এবং পরে বিষয়টি প্রকাশ পেলে তা গোপনের চেষ্টা করা হয়।
‎অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, সরকারি সম্পদ সরানোর জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন। ‎এদিকে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আনা চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে আইনজ্ঞদের মত, যদি তা প্রমাণিত না হয়, তাহলে তা মানহানি ও মিথ্যা মামলা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা অভিযোগকারী পক্ষকেই আইনি জটিলতায় ফেলতে পারে। ‎স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে যে বিষয়টি সামনে এসেছে, সেটি ধামাচাপা দিতে এমন পাল্টা অভিযোগ তোলা হলে তা শুধু সাংবাদিকতার স্বাধীনতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে না, বরং অপরাধকে আড়াল করার প্রবণতাকেও উৎসাহিত করে।
‎সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন, তিনি তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে এবং মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পরে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
‎অভয়নগরজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন সত্য চাপা থাকবে, নাকি আইনের মুখোমুখি দাঁড়াবে অভিযুক্তরা? তদন্তের ফলই দেবে সেই উত্তর।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

‎স্লাব কেলেঙ্কারি ফাঁসের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ; 

আপডেট টাইম : ১০:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ

‎‎সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে চাপে পড়ে চাঁদাবাজির গল্প; প্রমাণে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন সাংবাদিক, তদন্তে প্রশাসন। ‎‎যশোরের অভয়নগরে সরকারি স্লাব আত্মসাতের অভিযোগ প্রকাশের পর ঘটনাপ্রবাহ নতুন মোড় নিয়েছে। সাংবাদিক কামাল হোসেন’র প্রতিবেদনে বিষয়টি সামনে আসার পর অভিযুক্ত বিএনপি নেতা পিয়ার আলী শেখ উল্টো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললেও সেটির যথোপযুক্ত প্রমান দেননি,  এদিকে সেটিকে ভিত্তিহীন, সাজানো এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন।
‎‎লিখিত অভিযোগ, স্থানীয়দের বক্তব্য এবং ঘটনাস্থলের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাংবাদিক কামাল হোসেন অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করতে পিয়ার আলীর বাড়ির সামনে যান এবং গেটের ভিতর তার ছেলেকে দেখে সে ভিতরে প্রবেশ করে এবং স্বল্প সময় অবস্থান করে সেখান থেকে বের হয়ে যান সর্বোচ্চ (২ মিনিট)। তিনি কোনো ঘরে প্রবেশ, তল্লাশি, গালিগালাজ বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত উপস্থাপন করা হয়নি। বরং তিনি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন, গেটের সিসিটিভি ফুটেজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করা হোক, তাহলেই প্রকৃত সত্য স্পষ্ট হয়ে যাবে। ‎অন্যদিকে, পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ আরও গুরুতর। স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, রাস্তা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত সরকারি ৩৯ পিস প্যালা সাইডিং কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই সরিয়ে নিজের বাড়িতে নেওয়া হয় এবং পরে বিষয়টি প্রকাশ পেলে তা গোপনের চেষ্টা করা হয়।
‎অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, সরকারি সম্পদ সরানোর জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন। ‎এদিকে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আনা চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে আইনজ্ঞদের মত, যদি তা প্রমাণিত না হয়, তাহলে তা মানহানি ও মিথ্যা মামলা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা অভিযোগকারী পক্ষকেই আইনি জটিলতায় ফেলতে পারে। ‎স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে যে বিষয়টি সামনে এসেছে, সেটি ধামাচাপা দিতে এমন পাল্টা অভিযোগ তোলা হলে তা শুধু সাংবাদিকতার স্বাধীনতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে না, বরং অপরাধকে আড়াল করার প্রবণতাকেও উৎসাহিত করে।
‎সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন, তিনি তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে এবং মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পরে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
‎অভয়নগরজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন সত্য চাপা থাকবে, নাকি আইনের মুখোমুখি দাঁড়াবে অভিযুক্তরা? তদন্তের ফলই দেবে সেই উত্তর।