০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোয়ালনগরে দুই গোষ্ঠীর তিন ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি-সমর্থক রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনী আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের কাসেম মিয়া গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন জিয়াউর রহমান। এর জেরে প্রায় এক সপ্তাহ আগে শিশু মিয়াকে মারধর ও তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
মঙ্গলবার সকালে রহিম তালুকদারের লোকজন কাসেম গোষ্ঠীর বাড়িঘরে হামলার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিকেলে উভয় পক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—টেঁটা, বল্লম ও দা—নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে অন্তত ৫০ জন আহত হন।
আহতদের নাসিরনগরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

গোয়ালনগরে দুই গোষ্ঠীর তিন ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

আপডেট টাইম : ০১:২৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি-সমর্থক রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনী আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের কাসেম মিয়া গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন জিয়াউর রহমান। এর জেরে প্রায় এক সপ্তাহ আগে শিশু মিয়াকে মারধর ও তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
মঙ্গলবার সকালে রহিম তালুকদারের লোকজন কাসেম গোষ্ঠীর বাড়িঘরে হামলার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিকেলে উভয় পক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—টেঁটা, বল্লম ও দা—নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে অন্তত ৫০ জন আহত হন।
আহতদের নাসিরনগরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।