০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরা রেঞ্জ অভয়ারণ্য এলাকাসমূহে চুক্তিভিত্তিক মাছ কাকড়া শিকার।রমরমা উৎকোচ বাণিজ্য।গোপন অভিযানে সত্যতা মিলবে।

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৯৮ বার

ক্রাইম রিপোর্টার।

খুলনা পশ্চিম বন বিভাগের অধীনস্থ চারটি প্রধান রেঞ্জ কার্যালয়ের অন্যতম সাতক্ষীরা রেঞ্জ।যেখানে বারো মাস দুর্নীতি গ্রাস করে রেখেছে। গভীর অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর কিছু সত্য উঠে এসেছে,সুন্দরবন উজাড় কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ নিধন অব্যাহত রয়েছে।বিষ দিয়ে মৎস্য নিধনের মত জঘন্য অপরাধ করে চলেছেন অনেকেই।হরিণ শিকারি চক্র সহ
অভয়ারণ্য এলাকায় ,মহাসিন , শহিদুল, বুলবুল, ও শহীদ কোম্পানির নৌকা,ইন্ডিয়ান ফাইবার জাল, চায়না দুয়ারী ভাসা জাল,ও চরপাটা জালের নৌকা রয়েছে।পুষ্পকাটি অভয়ারণ্য এলাকায়, অয়ন কোম্পানি , বিপুল কোম্পানি,কোম্পানি , ইউসুফ এবং আব্দুল্লাহ , ইন্ডিয়ান ফাইবার জাল,চায়না দুয়ারি জাল,বিষ দিয়ে মাছ আহরণ করা ভেসালিজাল,চরপাটা ও কাঁকড়ার নৌকা,

মান্দার বাড়িয়া এলাকায় রয়েছে, জামাল কোম্পানি কামরুল কোম্পানি , মিন্টু কোম্পানি , হাসান কোম্পানি , ইন্ডিয়ান ফাইবার জাল,চায়না দুয়ারী জাল,বিষ দিয়ে মাছ আহরণ করা ভাসালি জাল। ফিশিং ট্রলার চুক্তিতে চলমান রয়েছে।

পুষ্প কাটি অভয়ারণ্য এলাকায় কামরুল কোম্পানি, মিরাজুল, হোসেন কোম্পানি, রজব আলী, বিভিন্ন রকম মাছ কাঁকড়া সহ পারশে মাছের ট্রলার চলতেছে। দোবেকি এলাকার চিত্র একই রকম।এই বিষয়ে, সদ্য আগত স্টেশন কর্মকর্তা, ফজলুল হক সাহেবে কে না পেয়ে,মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে,তিনি ঈদের কয়েকদিন পর কথা বলবেন এমনটি জানিয়েছেন।সর্বোপরি বিশ্বের একক ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন আমাদেরকে মায়ের মত আগলে রাখে।দফায় দফায় ঝড় জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করে সুন্দরবনের সম্পদ দেশের সম্পদ প্রায় বিলুপ্তির পথে দেশের গৌরব চিত্রা হরিণ বেপরোয়া শিকারি চক্র সব মিলিয়ে জেলাবাসীর আবেদন গোপনে অভিযান পরিচালনা করা হলে প্রত্যেকটি কথার সত্যতা মিলবে রেঞ্জ কর্মকর্তা মহোদয় সহ বিভাগীয় কর্মকর্তার গোপন অভিযান পরিচালনার আবেদন জানিয়েছেন সুধী মহল।স্টেশনের সাথে আঁতাত করে,উপকূলীয় প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল হালিমের পারশে মাছের ট্রলার নিয়মিত চলাচল করছে। নতুন দায়িত্ব নিয়েই সুন্দরবন তথা অভয়ারণ্যে অপরাধের পরিমাণ দ্বিগুণের রূপ নিয়েছে নৌকা প্রতীক চুক্তির টাকা স্টেশন কর্মকর্তার তহবিলে জমা হয়।সেখান থেকে অন্য কিছু। সাধারণ ভুক্তভোগী জেলে বাওয়ালি লক্ষাদিক মানুষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠিন হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

সাতক্ষীরা রেঞ্জ অভয়ারণ্য এলাকাসমূহে চুক্তিভিত্তিক মাছ কাকড়া শিকার।রমরমা উৎকোচ বাণিজ্য।গোপন অভিযানে সত্যতা মিলবে।

আপডেট টাইম : ০৫:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ক্রাইম রিপোর্টার।

খুলনা পশ্চিম বন বিভাগের অধীনস্থ চারটি প্রধান রেঞ্জ কার্যালয়ের অন্যতম সাতক্ষীরা রেঞ্জ।যেখানে বারো মাস দুর্নীতি গ্রাস করে রেখেছে। গভীর অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর কিছু সত্য উঠে এসেছে,সুন্দরবন উজাড় কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ নিধন অব্যাহত রয়েছে।বিষ দিয়ে মৎস্য নিধনের মত জঘন্য অপরাধ করে চলেছেন অনেকেই।হরিণ শিকারি চক্র সহ
অভয়ারণ্য এলাকায় ,মহাসিন , শহিদুল, বুলবুল, ও শহীদ কোম্পানির নৌকা,ইন্ডিয়ান ফাইবার জাল, চায়না দুয়ারী ভাসা জাল,ও চরপাটা জালের নৌকা রয়েছে।পুষ্পকাটি অভয়ারণ্য এলাকায়, অয়ন কোম্পানি , বিপুল কোম্পানি,কোম্পানি , ইউসুফ এবং আব্দুল্লাহ , ইন্ডিয়ান ফাইবার জাল,চায়না দুয়ারি জাল,বিষ দিয়ে মাছ আহরণ করা ভেসালিজাল,চরপাটা ও কাঁকড়ার নৌকা,

মান্দার বাড়িয়া এলাকায় রয়েছে, জামাল কোম্পানি কামরুল কোম্পানি , মিন্টু কোম্পানি , হাসান কোম্পানি , ইন্ডিয়ান ফাইবার জাল,চায়না দুয়ারী জাল,বিষ দিয়ে মাছ আহরণ করা ভাসালি জাল। ফিশিং ট্রলার চুক্তিতে চলমান রয়েছে।

পুষ্প কাটি অভয়ারণ্য এলাকায় কামরুল কোম্পানি, মিরাজুল, হোসেন কোম্পানি, রজব আলী, বিভিন্ন রকম মাছ কাঁকড়া সহ পারশে মাছের ট্রলার চলতেছে। দোবেকি এলাকার চিত্র একই রকম।এই বিষয়ে, সদ্য আগত স্টেশন কর্মকর্তা, ফজলুল হক সাহেবে কে না পেয়ে,মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে,তিনি ঈদের কয়েকদিন পর কথা বলবেন এমনটি জানিয়েছেন।সর্বোপরি বিশ্বের একক ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন আমাদেরকে মায়ের মত আগলে রাখে।দফায় দফায় ঝড় জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করে সুন্দরবনের সম্পদ দেশের সম্পদ প্রায় বিলুপ্তির পথে দেশের গৌরব চিত্রা হরিণ বেপরোয়া শিকারি চক্র সব মিলিয়ে জেলাবাসীর আবেদন গোপনে অভিযান পরিচালনা করা হলে প্রত্যেকটি কথার সত্যতা মিলবে রেঞ্জ কর্মকর্তা মহোদয় সহ বিভাগীয় কর্মকর্তার গোপন অভিযান পরিচালনার আবেদন জানিয়েছেন সুধী মহল।স্টেশনের সাথে আঁতাত করে,উপকূলীয় প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল হালিমের পারশে মাছের ট্রলার নিয়মিত চলাচল করছে। নতুন দায়িত্ব নিয়েই সুন্দরবন তথা অভয়ারণ্যে অপরাধের পরিমাণ দ্বিগুণের রূপ নিয়েছে নৌকা প্রতীক চুক্তির টাকা স্টেশন কর্মকর্তার তহবিলে জমা হয়।সেখান থেকে অন্য কিছু। সাধারণ ভুক্তভোগী জেলে বাওয়ালি লক্ষাদিক মানুষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠিন হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।