০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮ জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল সরবরাহ বন্ধ

রংপুর বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে। তারা ট্যাংকলরির চালকসহ তিন শ্রমিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড ও জরিমানা প্রদানের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে তাদের মুক্তির দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছে।

রোববার সকাল ৮টা থেকে পার্বতীপুরে রেলহেড অয়েল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার মাধ্যমে শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে দিনাজপুর জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি তাদের একাত্মতা প্রকাশ করে। এর ফলে রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা গেছে, শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো (যমুনা অয়েল কোম্পানি) থেকে নীলফামারী যাচ্ছিল একটি লরি। পথে নীলফামারীর রেলগেট এলাকায় লরিতে যান্ত্রিক ত্রুটি (ডায়নামার সমস্যা) দেখা দেয়। লরি থামিয়ে চালক কৃষ্ণ ও সহকারী রিফাত মেরামতের কাজ করছিলেন।

এ সময় নীলফামারীর এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ ভূঁইয়া ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী লরি দেখে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। লরির কেবিনে দুটি জারকিনে (ক্যান) মোট ১৩ লিটার (১০ লিটার পেট্রোল ও ৩ লিটার ডিজেল) তেল পাওয়া যায়। পরে ট্যাংকলরিটি আটক করে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

৮ জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল সরবরাহ বন্ধ

আপডেট টাইম : ০৪:২৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

রংপুর বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে। তারা ট্যাংকলরির চালকসহ তিন শ্রমিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড ও জরিমানা প্রদানের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে তাদের মুক্তির দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছে।

রোববার সকাল ৮টা থেকে পার্বতীপুরে রেলহেড অয়েল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার মাধ্যমে শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে দিনাজপুর জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি তাদের একাত্মতা প্রকাশ করে। এর ফলে রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা গেছে, শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো (যমুনা অয়েল কোম্পানি) থেকে নীলফামারী যাচ্ছিল একটি লরি। পথে নীলফামারীর রেলগেট এলাকায় লরিতে যান্ত্রিক ত্রুটি (ডায়নামার সমস্যা) দেখা দেয়। লরি থামিয়ে চালক কৃষ্ণ ও সহকারী রিফাত মেরামতের কাজ করছিলেন।

এ সময় নীলফামারীর এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ ভূঁইয়া ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী লরি দেখে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। লরির কেবিনে দুটি জারকিনে (ক্যান) মোট ১৩ লিটার (১০ লিটার পেট্রোল ও ৩ লিটার ডিজেল) তেল পাওয়া যায়। পরে ট্যাংকলরিটি আটক করে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়।