০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবিরহাট উপজেলায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

‎নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ২ দিন পর মো. সোহেল রানা (২৪) নামে এক ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎আজ রোববার সকালে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের পূর্ব রাজুরগাঁও গ্রামের রাজী সাহেব ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের অফিস সংলগ্ন ডোবা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎জানা গেছে, সোহেল রানা হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের উত্তর শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা অলি উদ্দিনের ছেলে। তিনি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। নিহতের বাবা অলি উদ্দিন অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার সকালে তার ছেলে ইটভাটায় কাজে যাননি। বিকেলে তাকে জোরপূর্বক ইটভাটায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তার মামা কামাল ও সাইফুল মাঝির ভাই আলতাব। এ সময় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর সন্ধ্যার পর থেকেই সোহেল রানা নিখোঁজ ছিলেন।

‎তিনি জানান, নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি তারা। রোববার সকালে ইটভাটার অফিস সংলগ্ন ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় শ্রমিকরা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা লাশটি সোহেল রানার বলে শনাক্ত করেন।
‎কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে পানিতে ডুবে মৃত্যু হতে পারে তার। তবে প্রকৃত কারণ জানতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

কবিরহাট উপজেলায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৫:৪৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

‎নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ২ দিন পর মো. সোহেল রানা (২৪) নামে এক ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎আজ রোববার সকালে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের পূর্ব রাজুরগাঁও গ্রামের রাজী সাহেব ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের অফিস সংলগ্ন ডোবা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎জানা গেছে, সোহেল রানা হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের উত্তর শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা অলি উদ্দিনের ছেলে। তিনি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। নিহতের বাবা অলি উদ্দিন অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার সকালে তার ছেলে ইটভাটায় কাজে যাননি। বিকেলে তাকে জোরপূর্বক ইটভাটায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তার মামা কামাল ও সাইফুল মাঝির ভাই আলতাব। এ সময় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর সন্ধ্যার পর থেকেই সোহেল রানা নিখোঁজ ছিলেন।

‎তিনি জানান, নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি তারা। রোববার সকালে ইটভাটার অফিস সংলগ্ন ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় শ্রমিকরা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা লাশটি সোহেল রানার বলে শনাক্ত করেন।
‎কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে পানিতে ডুবে মৃত্যু হতে পারে তার। তবে প্রকৃত কারণ জানতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।