০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে জমি দখলেরচেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫৫ বার

মাহফুজুর রহমান সাইমন

শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে চার বোনের একটি পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজেদের জীবন-সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মরিয়ম আক্তার মৌসুমি ও তার পরিবার।
শুক্রবার (এপ্রিল ২০২৬) দুপুর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মরিয়ম আক্তার মৌসুমি। বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী আবু, সোহাগ ও রনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের মালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ ছাড়া নিয়মিত হুমকি-ধমকি, অশালীন আচরণ, গালিগালাজ এবং চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ২১৭ (আরওআর) ও ৭৪৪ (বিআরএস) নং দাগভুক্ত জমি নিয়ে একাধিকবার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালে নিম্ন আদালত এবং ২০১৬ সালে উচ্চ আদালত উভয়ই তাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু আদালতের সুস্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও বিবাদীপক্ষ তা অগ্রাহ্য করে বারবার জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মরিয়ম আক্তার মৌসুমি আরও জানান, তাদের ব্যক্তিগত রাস্তা ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বের হতে গেলে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিকবার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা নিতে হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর তাদের গুদামঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে, যা তাদের জন্য আরও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বিবাদীপক্ষের লোকজন গুম ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশি বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল ও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।
এমন পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জমির শান্তিপূর্ণ ভোগদখল বজায় রাখা এবং হয়রানি বন্ধে শেরপুর জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

শেরপুরে জমি দখলেরচেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : ০৩:১০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মাহফুজুর রহমান সাইমন

শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে চার বোনের একটি পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজেদের জীবন-সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মরিয়ম আক্তার মৌসুমি ও তার পরিবার।
শুক্রবার (এপ্রিল ২০২৬) দুপুর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মরিয়ম আক্তার মৌসুমি। বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী আবু, সোহাগ ও রনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের মালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ ছাড়া নিয়মিত হুমকি-ধমকি, অশালীন আচরণ, গালিগালাজ এবং চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ২১৭ (আরওআর) ও ৭৪৪ (বিআরএস) নং দাগভুক্ত জমি নিয়ে একাধিকবার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালে নিম্ন আদালত এবং ২০১৬ সালে উচ্চ আদালত উভয়ই তাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু আদালতের সুস্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও বিবাদীপক্ষ তা অগ্রাহ্য করে বারবার জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মরিয়ম আক্তার মৌসুমি আরও জানান, তাদের ব্যক্তিগত রাস্তা ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বের হতে গেলে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিকবার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা নিতে হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর তাদের গুদামঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে, যা তাদের জন্য আরও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বিবাদীপক্ষের লোকজন গুম ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশি বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল ও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।
এমন পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জমির শান্তিপূর্ণ ভোগদখল বজায় রাখা এবং হয়রানি বন্ধে শেরপুর জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।