০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজস্ব আদায় জোরদার ও ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাজস্ব আদায় কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত রাজস্ব সভা ও স্টাফ মিটিংয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় জেলার সার্বিক রাজস্ব আদায়ের অগ্রগতি, ভূমি ব্যবস্থাপনা, নামজারি কার্যক্রম, খাস জমি বন্দোবস্ত, বকেয়া রাজস্ব আদায় এবং সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে বকেয়া রাজস্ব দ্রুত আদায়, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং জনগণকে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারি রাজস্ব আদায়ে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। জনগণ যেন দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছভাবে ভূমি ও প্রশাসনিক সেবা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
পরবর্তী স্টাফ মিটিংয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের অগ্রগতি, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, অফিস ব্যবস্থাপনা, সেবার মানোন্নয়ন এবং জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ শাখার সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার নির্দেশনা দেন।
সভায় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রাজস্ব আদায় জোরদার ও ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশনা

আপডেট টাইম : ০২:২১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাজস্ব আদায় কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত রাজস্ব সভা ও স্টাফ মিটিংয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় জেলার সার্বিক রাজস্ব আদায়ের অগ্রগতি, ভূমি ব্যবস্থাপনা, নামজারি কার্যক্রম, খাস জমি বন্দোবস্ত, বকেয়া রাজস্ব আদায় এবং সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে বকেয়া রাজস্ব দ্রুত আদায়, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং জনগণকে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারি রাজস্ব আদায়ে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। জনগণ যেন দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছভাবে ভূমি ও প্রশাসনিক সেবা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
পরবর্তী স্টাফ মিটিংয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের অগ্রগতি, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, অফিস ব্যবস্থাপনা, সেবার মানোন্নয়ন এবং জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ শাখার সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার নির্দেশনা দেন।
সভায় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।