শেরপুরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে অসৎ উপায়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে ৫ পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস, মাইক্রো ব্লুটুথ ইয়ারফোনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (৯ মে) শেরপুর পৌরসভার গৃদ্ধা নারায়ণপুর নবারুণ পাবলিক স্কুল কেন্দ্রে টিআরসি নিয়োগ-২০২৬ এর লিখিত পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষার্থী মো. শান্ত মিয়ার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিষয়টি পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তার দেহ তল্লাশি করে ডান কান থেকে একটি মাইক্রো ব্লুটুথ ইয়ারফোন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, বিশেষ কৌশলে জুতার ভেতর ও গেঞ্জির ভেতরে পকেট তৈরি করে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন করে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছিলেন।
এরপর পুলিশ সুপার শেরপুর কেন্দ্রের সকল কক্ষে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশির নির্দেশ দেন। তল্লাশিকালে আরও চার পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তারা হলেন মো. মহিউর রহমান ওরফে মশাল, মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, মো. রসুল মিয়া ও মো. রায়হান হোসেন। তাদের কাছ থেকেও পৃথক ৪টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও ৪টি মাইক্রো ব্লুটুথ ইয়ারফোন উদ্ধার করা হয়।
আটক পরীক্ষার্থীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, চাকরি পাওয়ার আশায় তারা প্রতারক চক্রের সঙ্গে পৃথকভাবে ১৮ লাখ টাকা করে চুক্তিবদ্ধ হয় এবং ওই চক্রের সদস্যদের সরবরাহ করা ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের পাশাপাশি প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মাহফুজুর রহমান সাইমন শেরপুর 



















