০৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামগতিতে গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (০২ নভেম্বর ২০২৫) দুপুর অনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের চর কলাকোপা গ্রামের বাবুলের বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোরীর নাম বিবি হাফসা (১৩)। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং চর কলাকোপা এলাকার মৃত মো. আব্দুর রশিদের ছেলে মো. বাবলুর ছোট মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে ছোট ভাইয়ের সাইকেল চালানো নিয়ে মা শিরিন বেগম মেয়েকে বকাঝকা ও মারধর করেন। পরে মা পরিবারের প্রয়োজনীয় কাজে হাজীগঞ্জ বাজারে চলে যান। এ সুযোগে হাফসা বসতঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরের ভেতরে ভুতুরের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

বাজার থেকে ফিরে এসে মা দরজা বন্ধ দেখে ধাক্কা দিয়ে খুললে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে দরজা খুলে হাফসাকে নিচে নামান।

খবর পেয়ে ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার কালাম বিষয়টি রামগতি থানা পুলিশকে জানান। পরে সহকারী পুলিশ সুপার (রামগতি সার্কেল) ও থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসআই মিজান সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন।

মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের কোনো সন্দেহ না থাকায় এবং তারা কারো বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের আবেদন করা হয়।

পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে রামগতি থানার জিডি নং–৬৮/২৫, তারিখ–০২/১১/২০২৫ মূলে বিবি হাফসার মরদেহ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৪ জন গ্রেপ্তার

রামগতিতে গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা

আপডেট টাইম : ১২:৩০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (০২ নভেম্বর ২০২৫) দুপুর অনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের চর কলাকোপা গ্রামের বাবুলের বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোরীর নাম বিবি হাফসা (১৩)। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং চর কলাকোপা এলাকার মৃত মো. আব্দুর রশিদের ছেলে মো. বাবলুর ছোট মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে ছোট ভাইয়ের সাইকেল চালানো নিয়ে মা শিরিন বেগম মেয়েকে বকাঝকা ও মারধর করেন। পরে মা পরিবারের প্রয়োজনীয় কাজে হাজীগঞ্জ বাজারে চলে যান। এ সুযোগে হাফসা বসতঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরের ভেতরে ভুতুরের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

বাজার থেকে ফিরে এসে মা দরজা বন্ধ দেখে ধাক্কা দিয়ে খুললে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে দরজা খুলে হাফসাকে নিচে নামান।

খবর পেয়ে ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার কালাম বিষয়টি রামগতি থানা পুলিশকে জানান। পরে সহকারী পুলিশ সুপার (রামগতি সার্কেল) ও থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসআই মিজান সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন।

মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের কোনো সন্দেহ না থাকায় এবং তারা কারো বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের আবেদন করা হয়।

পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে রামগতি থানার জিডি নং–৬৮/২৫, তারিখ–০২/১১/২০২৫ মূলে বিবি হাফসার মরদেহ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়।