০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি ইজারা না থাকায় একটি রাজনৈতিক মহল অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে

সাতক্ষীরার শ্যামনগর খোলপেটুয়া নদী এখন প্রভাবশালী লুটেরাদের কবলে । বালুখেকোদের তাণ্ডব থামাতে পারছে না কেউই। নিয়ম-নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোটি টাকার সরকারি ইজারামূল্য ফাঁকি দিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন অবৈধ খননযন্ত্র (ড্রেজার) বসিয়ে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে অবাধে চলছে বেআইনি বালু উত্তোলন। কোথাও কোথাও সমুদ্র ড্রেজিং এর কাজে ব্যবহৃত খননযন্ত্র দিয়েও চলছে বালু উত্তোলন।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনোই তৎপরতা নেই। তাদের ভূমিকা রহস্যজনক।

দুই একজনকে গ্রেফতার করলেও বড় বড় রাঘব বোয়ালরা ধরা ছোয়ার বাইরে। অভিযোগ রয়েছে- সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করেই চলছে বালু লোপাট।

বালি উত্তোলন কারিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরিতাপের বিষয় রাতের বেলা এই চোরাই বালি কর্মস্থলে পৌঁছে যায়।ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় জিআই বস্তায় ভরে নদীতে ফলানো হয়,ভাঙ্গন রোধ করতে। চমৎকার নাটকীয় সিন্ডিকেট। ওয়াদা কর্মকর্তা গনও সাধু নয়। ঠিকাদার তো লাভের আশায় যে কোন কৌশল অবলম্বন করবে। স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনের অনুসন্ধানী নজরদারির মাধ্যমে, আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এমনই দাবি উপজেলা বাসির।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

সরকারি ইজারা না থাকায় একটি রাজনৈতিক মহল অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে

আপডেট টাইম : ০১:২৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগর খোলপেটুয়া নদী এখন প্রভাবশালী লুটেরাদের কবলে । বালুখেকোদের তাণ্ডব থামাতে পারছে না কেউই। নিয়ম-নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোটি টাকার সরকারি ইজারামূল্য ফাঁকি দিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন অবৈধ খননযন্ত্র (ড্রেজার) বসিয়ে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে অবাধে চলছে বেআইনি বালু উত্তোলন। কোথাও কোথাও সমুদ্র ড্রেজিং এর কাজে ব্যবহৃত খননযন্ত্র দিয়েও চলছে বালু উত্তোলন।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনোই তৎপরতা নেই। তাদের ভূমিকা রহস্যজনক।

দুই একজনকে গ্রেফতার করলেও বড় বড় রাঘব বোয়ালরা ধরা ছোয়ার বাইরে। অভিযোগ রয়েছে- সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করেই চলছে বালু লোপাট।

বালি উত্তোলন কারিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরিতাপের বিষয় রাতের বেলা এই চোরাই বালি কর্মস্থলে পৌঁছে যায়।ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় জিআই বস্তায় ভরে নদীতে ফলানো হয়,ভাঙ্গন রোধ করতে। চমৎকার নাটকীয় সিন্ডিকেট। ওয়াদা কর্মকর্তা গনও সাধু নয়। ঠিকাদার তো লাভের আশায় যে কোন কৌশল অবলম্বন করবে। স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনের অনুসন্ধানী নজরদারির মাধ্যমে, আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এমনই দাবি উপজেলা বাসির।