০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম শুধু একটি নাম নয় রামপাল, মোংলা, ফকিরহাট বাসীর আস্থা, ভালোবাসা,ধানের শীশ পতিক প্রত্যাশী

রামপাল–মোংলার বিএনপির সবচেয়ে জনপ্রিয়, গরিব–দুঃখী ও মেহনতি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম-এর নামই এখন আলোচনায়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খুব কম মানুষই আছেন, যাঁদের জীবনসংগ্রাম, ত্যাগ ও আদর্শ একত্রে মিলিত হয়ে গড়ে তুলেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। রাজপথে তিনবার গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পতিত হয়েছেন, তবুও থেমে যাননি ন্যায়ের পথে পদযাত্রা।
৩৬টি মিথ্যা মামলা, ১৪ বার গ্রেফতার, ৭ বার রিমান্ডে অকথ্য নির্যাতন, এমনকি দুটি বানোয়াট মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েও তিনি সত্য ও ন্যায়ের পতাকা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন।
সুদীর্ঘ ৩৯ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি প্রমাণ করেছেন— ত্যাগই তাঁর শক্তি, আদর্শই তাঁর পরিচয়, আর দলই তাঁর অনন্ত ভালোবাসা।
দলকে ভালোবাসার কারণে তিনি নিজ স্ত্রীর মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে পারেননি; ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটোয়া পুলিশ বাহিনী তাঁকে স্ত্রীর জানাজায় সরাসরি অংশ নিতে দেয়নি।
রামপাল–মোংলার সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, দলের এই নিবেদিতপ্রাণ নেতা কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীমকে বিএনপির হাইকমান্ড যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া জাতীয়তাবাদী আদর্শের দল বিএনপির প্রতি তাঁর আনুগত্য আজ কিংবদন্তির সমার্থক। জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর আস্থা, বিশ্বাস ও অনুরাগ প্রমাণ করে—তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, বরং একজন আদর্শিক সৈনিক।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নিরলস সংগ্রাম ও ত্যাগের অমলিন ধারায় তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন একজন সত্যনিষ্ঠ, নির্ভীক ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিক হিসেবে। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন–সংগ্রাম, মামলা ও হামলার মুহূর্তে তিনি ছিলেন দলের নেতাকর্মীদের অটল সহযোদ্ধা, প্রেরণার উৎস, আশ্রয় ও ভরসা।

শত দুঃখ–কষ্টে পাশে থেকে, জনপদ হতে জনপদে ঘুরে উন্নয়ন, সেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি জনগণের হৃদয়ে গড়ে তুলেছেন আস্থার এক অটুট দুর্গ।
রাজনীতিকে তিনি দেখেছেন ক্ষমতার নয়, বরং মানুষের কল্যাণের এক মহৎ দায়িত্ব হিসেবে। রামপাল–মোংলার মানুষের আজ এক গভীর বিশ্বাস— বিএনপির হাইকমান্ড তাঁর প্রতি সুবিচার করবেন, কারণ তিনিই সেই নেতা, যাঁর নাম উচ্চারিত হয় ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আশার প্রতীকে।

জনগণের অপরিসীম সমর্থন ও অগাধ আস্থা নিয়ে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হবেন— যা অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে কল্পনাতীত।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম শুধু একটি নাম নয় রামপাল, মোংলা, ফকিরহাট বাসীর আস্থা, ভালোবাসা,ধানের শীশ পতিক প্রত্যাশী

আপডেট টাইম : ১২:১২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

রামপাল–মোংলার বিএনপির সবচেয়ে জনপ্রিয়, গরিব–দুঃখী ও মেহনতি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম-এর নামই এখন আলোচনায়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খুব কম মানুষই আছেন, যাঁদের জীবনসংগ্রাম, ত্যাগ ও আদর্শ একত্রে মিলিত হয়ে গড়ে তুলেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। রাজপথে তিনবার গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পতিত হয়েছেন, তবুও থেমে যাননি ন্যায়ের পথে পদযাত্রা।
৩৬টি মিথ্যা মামলা, ১৪ বার গ্রেফতার, ৭ বার রিমান্ডে অকথ্য নির্যাতন, এমনকি দুটি বানোয়াট মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েও তিনি সত্য ও ন্যায়ের পতাকা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন।
সুদীর্ঘ ৩৯ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি প্রমাণ করেছেন— ত্যাগই তাঁর শক্তি, আদর্শই তাঁর পরিচয়, আর দলই তাঁর অনন্ত ভালোবাসা।
দলকে ভালোবাসার কারণে তিনি নিজ স্ত্রীর মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে পারেননি; ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটোয়া পুলিশ বাহিনী তাঁকে স্ত্রীর জানাজায় সরাসরি অংশ নিতে দেয়নি।
রামপাল–মোংলার সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, দলের এই নিবেদিতপ্রাণ নেতা কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীমকে বিএনপির হাইকমান্ড যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া জাতীয়তাবাদী আদর্শের দল বিএনপির প্রতি তাঁর আনুগত্য আজ কিংবদন্তির সমার্থক। জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর আস্থা, বিশ্বাস ও অনুরাগ প্রমাণ করে—তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, বরং একজন আদর্শিক সৈনিক।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নিরলস সংগ্রাম ও ত্যাগের অমলিন ধারায় তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন একজন সত্যনিষ্ঠ, নির্ভীক ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিক হিসেবে। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন–সংগ্রাম, মামলা ও হামলার মুহূর্তে তিনি ছিলেন দলের নেতাকর্মীদের অটল সহযোদ্ধা, প্রেরণার উৎস, আশ্রয় ও ভরসা।

শত দুঃখ–কষ্টে পাশে থেকে, জনপদ হতে জনপদে ঘুরে উন্নয়ন, সেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি জনগণের হৃদয়ে গড়ে তুলেছেন আস্থার এক অটুট দুর্গ।
রাজনীতিকে তিনি দেখেছেন ক্ষমতার নয়, বরং মানুষের কল্যাণের এক মহৎ দায়িত্ব হিসেবে। রামপাল–মোংলার মানুষের আজ এক গভীর বিশ্বাস— বিএনপির হাইকমান্ড তাঁর প্রতি সুবিচার করবেন, কারণ তিনিই সেই নেতা, যাঁর নাম উচ্চারিত হয় ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আশার প্রতীকে।

জনগণের অপরিসীম সমর্থন ও অগাধ আস্থা নিয়ে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হবেন— যা অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে কল্পনাতীত।